পুতিনকে খু’নি বললেন বাইডেন, পাল্টা জবাব পুতিনের!

কেন তাকে ‘খু-নি’ ব’লেছিলেন, তা ফোন করে ব্যাখ্যা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাতে স’ন্তুষ্টও হয়েছেন তিনি। বুধবার জেনেভায় ঐতিহাসিক বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।সেই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে পুতিন বলেন, ‘ওরকম তীব্র আ’ক্র’মণ নিয়ে কী বলব? আমরা ওইরকম ঘট’নার সঙ্গে অভ্যস্ত।

ওই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন আমায় ফোন করেছিলেন। সেই বিষয়ে আমরা মতবিনিময় করেছিলাম। তার ব্যাখ্যায় আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।’ গত মার্চে এবিসি নিউজে একটি সাক্ষাৎকারে বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি পুতিনকে ‘খু-নি’ বলে মনে করেন কিনা। তাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি মনে করি।’

সেই মন্তব্যের পর এমনিতেই শীতল রুশ-মার্কিন সম্পর্কের আরও অবন’তি হয়। আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন থেকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠায় পুতিনের সরকার। পরে একইভাবে মস্কো থেকে ফিরিয়ে আনা হয় মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে।বুধবারের বৈঠকের পর পুতিন অবশ্য জানান, দু’দেশের রাষ্ট্রদূত আবার নিজেদের পদে ফিরে যাবেন। নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে রাষ্ট্রদূতদের ফিরিয়ে আনার ঘটনাকে বেশি বড় করে দেখাতে রাজি হননি পুতিন। বরং বিষয়টি একেবারে সাদামাঠাভাবেই কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছেন। জেনেভার মনোরম পরিবেশে বাইডেন ও পুতিনের বহুপ্রতীক্ষিত বৈঠকের আবহ যে একেবারে ‘মনোরম’ ছিল না, তা কিছুটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন খোদ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার বিরোধীনেতা এবং পুতিনের সমালোচক অ্যালেক্সি ন্যাভালনি প্রসঙ্গে আমেরিকা যে চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল, তার পাল্টা হিসেবে পুতিন জানান, মার্কিন প্রশাসনের অসংখ্য ‘মানবাধিকার ল’ঙ্ঘনের’ বিষ’য়টি তুলে ধরেছেন। অভিযোগ করেন, আফ’গানি’স্তান এবং ইরাকের সাধারণ মানুষকে হ-ত্যা করেছে মা’র্কিন সেনা। পুতিন প্রশ্ন করেন, ‘সেটার দায় কে নেবে? কে আসল খু-নি?’

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে চো’খাচো’খা প্রশ্নের মুখে পড়েন পুতিন। রাশিয়ায় বিরোধী নেতাদের ধর’পাক’ড় নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তা সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়ে ক্যাপিটল হিল স’হিং’স’তা ও ব্ল্যা’ক লা’ইভস ম্যা’টার্সের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ওয়াশিংটনের অস্ব’স্তি বাড়িয়ে দেন। পুতিন জানান, রাশিয়ায় তিনি ক্যাপিটল হিল স’হিং’স’তা ও ব্ল্যাক লাই’ভস ম্যাটা’র্সের মতো বিষয় দেখতে চান না।

‘তিনি বলেন, ‘একজন আফ্রিকান-আমেরিকানকে হ-ত্যা’র পর আমেরিকায় সম্প্রতি একটি ভ’য়া’ন’ক ঘ’টনা ঘটেছে। ব্ল্যাক লা’ইভস ম্যা’টার্স নামে একটি পুরো আ’ন্দোলন গড়ে উঠল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হা’ঙ্গা’মা, বিশৃঙ্খলা, আইনের লঙ্ঘ’নের সাক্ষী ছিলাম। আমরা আমেরিকার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি। কিন্তু আমাদের ভূখণ্ডে এরকম হতে দিতে চাই না। এরকম ঘটনা না হওয়ার জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করব।’সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here