তিন মুসলিম দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় ইসরাইল!

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়াতে চায় ইসরাইল। দেশটির সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে জেরুজালেম পোস্ট। খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইল দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার ই’সরাই’লের সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত সাগি কারনি এমন ইচ্ছার কথা জানান। তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই তিন দেশ ইসরাইলের প্রতি সুমনোভব পোষণ করে না বলেও খবরে বলা হয়। জেরুজালেম পোস্টে বলা হয়, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রনাই সর্বশেষ হামাস-ইস’রাই’ল যু’দ্ধে ফিলিস্তিনে ধ্বং’সয’জ্ঞের নি’ন্দা জানিয়েছে।

গত মাসে ১১ দিনব্যাপী এই যু’দ্ধে গা’জায় ইস’রাই’লের বিমান হা’ম’লায় ফিলি’স্তিনের অর্ধ শতা’ধিক নারী ও শিশুসহ ২৮০ জনের বেশি নি’হ’ত হয়। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আ’ন্দোলন হামাসের র’কে’ট হা’ম’লা’য় দুই শিশুসহ ইস’রাই’লের ১২ জন নি’হ’ত হয়।

জেরু’জা’লেম পোস্টের খবর অনুসারে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই তিন দেশ জতিসংঘের প্রতি ফিলিস্তিনে হ-তা’য’জ্ঞ থামা’নোর আহ্বান জা’নিয়েছে। ইস’রাই’লের সঙ্গে এই তিন দেশের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। ফিলিস্তিনি অঞ্চলে তারা ইস’রাই’লি দখলদারিত্ব অবসানের আহ্বান জানিয়েছে। দেশ তিনটি ১৯৬৭ সালের যু’দ্ধে’র পূর্বে ইস’রা’ইল-ফিলি’স্তিন দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমা’ধানের কথা বলত।

সিঙ্গাপুরের ইস’রাই’লি রাষ্ট্রদূত সাগি কারনি বলেন, এই তিন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতারা ইসরা’ই’লের যে সমালোচনা করে সেটা যর্থাথ নয়। তাদের বক্তব্যে সং’ঘা’তে’র আসল চিত্র ফুঁটে ওঠে না। ইস’রাই’লের সং’ঘা’ত হা’মাসের সঙ্গে, ফিলি’স্তিনি মানুষের সঙ্গে নয়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক নিউজ এজেন্সির সঙ্গে এক ভিডিও সাক্ষাতকারে ইস’রাই’লের এই রাষ্ট্রদূত বলেন, হামা’স হলো একটি ইহু’দিবিরো’ধী সংগঠন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা বিত’র্কে লি’প্ত হয় তারা হামাসের ‘গো’ড়া এবং ফ্যা’সিস্ট’ দৃষ্টিভঙ্গি জানে না। তবে হামাস ‘ইহু’দিবিরো’ধী’ এমন বক্তব্য প্রত্যাখান করেছে।

সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত সাগি কারনি সর্বশেষ হামাসের সঙ্গে যু’দ্ধে ফি’লিস্তিনের বেসাম’রিক নাগরিক নি’হ’ত হ’য়েছে স্বীকার করে বলেন, মধ্য’প্রা’চ্যে যা ঘট’ছে তার ওপর যথার্থ প্রভাব বিস্তার করতে যেকোনো পক্ষের একমাত্র উপা’য় হলো ‘ইস’রাই’লে সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা।

তিনি বলেন, আমরা কথা বলতে, সাক্ষাৎ করতে আগ্র’হী এবং সজাগ থাকা পর্যন্ত সম্পর্ক তৈরির দরজা সব সময় উন্মুক্ত। আমি মনে করি না, আমাদের খুঁজে পাওয়া কঠিন। এশিয়ায়, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন এবং মিয়ানমারে ই’সরাই’লের দূতাবাস আছে। গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কো যুক্ত’রাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইস’রাই’লের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here