অনেকের অবহেলা ও চ্যালেঞ্জের জবাব এই স্বর্ণ: মাবিয়া

বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসে রেকর্ড গড়ে স্বর্ণ জিতলেন তারকা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। সাফল্যের পর স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতেই সমালোচকদের একহাত নিলেন তিনি। আবারো বললেন, সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার কথা।

মাবিয়ার কাছে এই স্বর্ণ তাই ‘অনেকের অবহেলা ও চ্যালেঞ্জের জবাব’।

বাংলাদেশের গেমসের ভারোত্তলন ডিসিপ্লিনের ইভেন্টগুলো হচ্ছে ময়মনসিংহে। বুধবার মেয়েদের ৬৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে তিন বছর আগে নিজেরই গড়া রেকর্ড ভেঙে শ্রেষ্ঠত্ব দেখান মাবিয়া।

স্ন্যাচে ৮০ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০১ কেজি মিলিয়ে ১৮১ কেজি তুলে রেকর্ড গড়েন বাংলাদেশ আনসারের এই ভারোত্তোলক। ২০১৮ সালে আন্তঃসার্ভিস ভারোত্তলনে ১৭৯ কেজি তুলে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন তিনি।

এদিন স্ন্যাচ ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক- দুটিতেই আলাদা আলাদা রেকর্ড ওজন তুলেছেন মাবিয়া। ২০১০ সালে ভারোত্তলন শুরু করা মাবিয়ার এটি দ্বিতীয় বাংলাদেশ গেমস। ২০১৩ বাংলাদেশ গেমসেও স্বর্ণ পেয়েছিলেন তিনি।

এদিনের স্বর্ণ জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে দেশ রূপান্তরকে মাবিয়া বলেন, ‘অনেকের অবহেলা এবং অনেকের চ্যালেঞ্জের জবাব এই গোল্ড দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ অনেকে মনে করেছিল হয়তো মাবিয়া আর উঠবে না। সাফ গেমসের পর সার্ভিসেস একটা খেলায় অংশ নেই। সেখানে যে পারফরম্যান্স করি, সেটা আমারই মন মতো ছিল না। যদিও স্বর্ণ পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সবাই ভাবছিল হয়তো মাবিয়া শেষ… মাবিয়া হেরে গেছে। এটা তাদের জন্য জবাব।’

মাবিয়া আরো বলেন, ‘আমি ট্রেনিং করার জন্য যাদের কাছে সুযোগ-সুবিধা চেয়েছিলাম, যারা আমাকে তা দেননি, এই পারফরম্যান্স তাদের প্রতিও জবাব। তারা সুযোগ-সুবিধা দিলে আরো ভালো পারফরম্যান্স করতে পারতাম।’

মাবিয়া এক হাত নিয়েছেন বাংলাদেশ গেমসের আয়োজকদেরও। বলছেন, ‘২০১৩ সালে রেকর্ড হোল্ডারদের ১ লাখ করে সম্মানী দিয়েছিল (বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন)। সেবারের চেয়ে এবার বাজেট অনেক বেশি থাকলেও আমাদের কিছু দেওয়া হয়নি। রেকর্ড হোল্ডারদের জন্য কোনো সম্মানী রাখা হয়নি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here